শুক্রবার, ২৬ Jun ২০২৬, ০২:০৭ অপরাহ্ন
টানা তিন মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে আগামী ১ সেপ্টেম্বর উম্মুক্ত হচ্ছে সুন্দরবন। পর্যটকদের আনাগোনায় ফের মুখর হয়ে উঠবে পুরো বনের নদী-খাল ও পর্যটন কেন্দ্রগুলো।
বনবিভাগ জানিয়েছে, সুন্দরবন প্রবেশে দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞায় সমৃদ্ধ হয়েছে বনজসম্পদ, বেড়েছে মাছের পরিমাণ ও বন্যপ্রাণীর সংখ্যা। পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় সুন্দরবনে দর্শনার্থীদের চাপ বাড়বে বলে আশা বনবিভাগের। তাই পর্যটকদের সুবিধার্থে সকল ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা বলে জানান।
বনবিভাগ জানায়, মাছের প্রজনন মৌসুম হওয়ায় গত ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সুন্দরবনের নদী-খালে মাছ আহরণ ও পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে দর্শনার্থীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। মূলত মাছের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতেই বনবিভাগ এ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলো। কারণ প্রজনন মৌসুমে বনের অভ্যন্তরে মাছ শিকার ও পর্যটনবাহী নৌযান চলাচল করলে প্রজনন বিঘ্নিত হয়।
তিন মাসের বেকার জীবনযাপন করা বননির্ভরশীল জেলে ও পর্যটন সংশ্লিষ্টরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। তারা জাল-নৌকা এবং লঞ্চ, জালিবোট ও ট্রলার সংস্কার করছেন। দীর্ঘদিন পড়ে থেকে অনেক কিছুই নষ্ট হয়ে গেছে। তাই শেষ মুহুর্তে চলছে তাদের সেসব মেরামত, রং ও ধোয়া-মোছার কাজ।